১) ‘বীরপুরুষ’ কবিতার প্রথম ৮ লাইন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২) যুক্তবর্ণ ভেঙে শব্দ তৈরি
যুক্তবর্ণ ভেঙে লেখা উদাহরণ শব্দ
ন্দ = ন+দ = বন্দর, বন্দী, সন্ধ্যা
জ্ঞ = জ+্ঞ = জ্ঞান, বিজ্ঞ, অজ্ঞ
ঙ্গ = ঙ+গ = দাঙ্গা, ভঙ্গি, রঙ্গ
ম্ব = ম+ব = বম্বাই, সম্বন্ধ, চম্বল
হ্ম = হ+ম+ (হ্ম) = ব্রাহ্মণ, গৃহ্ম, মহর্ষি
ন্ন = ন+ন = গন্না, কান্না, তন্নিষ্ঠ
স্ব = স+ব = স্বামী, স্বাধীনতা, স্বভাব
৩) শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে বন্ধুকে পত্র
প্রিয় বন্ধুর প্রতি,
সপ্রেম শুভেচ্ছা নিও। আশা করি তুমি সুস্থ ও ভালো আছো।
অনেক দিন তোমাকে লিখি না বলে হয়তো ভাবছো। আসলে গত কয়েক দিন ধরে আমি গুরুতর জ্বরে ভুগছি। ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম—তিনি বলেছেন ভাইরাল ইনফেকশন। প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও দুর্বলতার কারণে ঠিকমতো কিছুই করতে পারছি না। তাই স্কুল/কলেজেও যেতে পারিনি।
তুমি জানো, পরীক্ষাও সামনে; এ অবস্থায় খুব চিন্তায় আছি। সুস্থ হয়ে উঠলে তোমার সঙ্গে দেখা করব। আমার জন্য দোয়া করো যেন দ্রুত ভালো হয়ে উঠতে পারি।
ইতি
তোমার বন্ধু
৪) রচনা – আমার মা
আমার মা
আমার মা আমার জীবনের সবচেয়ে আপন মানুষ। জন্মের পরে যে মানুষটি প্রথম আমাকে কোলে নিয়েছেন, স্নেহে-মমতায় লালন-পালন করেছেন, তিনি আমার মা। আমার মা ভোরে ওঠেন, সবার জন্য নাস্তা তৈরি করেন এবং ঘরের সমস্ত কাজ সামলে নেন। মা কখনো নিজের কথা ভাবেন না—পরিবারের সুখই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড়।
মা আমাকে শিক্ষা দেন কীভাবে মানুষ হতে হয়, কীভাবে ভালো-মন্দ বুঝতে হয়। আমি যখন কোনো সমস্যায় পড়ি, মা আমাকে সাহস দেন। অসুস্থ হলে সারাক্ষণ পাশে বসে থাকেন। মায়ের ভালোবাসার কোনো শেষ নেই। তাই আমি মনে করি, পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র সম্পর্ক হলো মা-সন্তানের সম্পর্ক। আমার মা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
৫) রচনা – বাংলাদেশের পাখি
বাংলাদেশের পাখি
বাংলাদেশ প্রকৃতিসমৃদ্ধ একটি দেশ। এখানে নানা রকম পাখির আবাস। এই দেশের গ্রাম-গঞ্জে, মাঠে-ঘাটে, নদীর ধারে ভোরবেলা পাখির কূজন শুনলে মন ভরে যায়। বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত পাখি দোয়েল, যা আমাদের জাতীয় পাখি। এছাড়া কোকিল, শালিক, ময়না, চড়ুই, বক, কাক, মাছরাঙা, তিতির, বুলবুলি ইত্যাদি নানা পাখি আমাদের দেশে পাওয়া যায়।
পাখিরা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং প্রকৃতিকে করে তোলে সুন্দর। কিন্তু বনভূমি ধ্বংস ও দূষণের কারণে অনেক পাখির সংখ্যা কমে যাচ্ছে। তাই আমাদের উচিত পাখিদের নিরাপদ পরিবেশ দেওয়া, গাছ লাগানো এবং তাদের রক্ষা করা। পাখি আমাদের দেশের সম্পদ—তাদের সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব।
